বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ
ভক্তদের কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন কিংবদন্তি ফুটবলার বিদ্যালয়ের জায়গা জোরপূর্বক দখল ও চারা রোপন কৈতক ট্রমা সেন্টার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন এমপি মানিক ছাতকে কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন জমির খাজনা অনলাইনে ছাতক উত্তর সুরমা প্রবাসী কল্যাণ সোসাইটির অাত্মপ্রকাশ ছাতকে অানুষ্টানিক ভাবে উদ্বোধন হলো খাঁজা ট্রাভেলস যদি আমাকে ভালোবাসিস, তবে সুরা ইয়াসিন পড়ে দোয়া করিস সুনামগঞ্জ জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ তাহিরপুরে মাদ্রাসায় নিয়োগে অনিয়ম- ৩০ লক্ষ টাকা ঘুষের অভিযোগ  দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার করোনায় আক্রান্ত সুনামগঞ্জের দোযারাবাজারে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক আটক(১) সাংবাদিক আরিফুর রহমানের পিতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ জন প্রশাসনের অতিরিক্ত সচিবের সাথে মতবিনিময়
বিশ্বনাথে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ

বিশ্বনাথে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতা আত্মসাতের অভিযোগ

শেয়ার করুনঃ

চেম্বার নিউজঃ সিলেটের বিশ্বনাথে আবুল কালাম নামে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি উপজেলার লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বর্ণালী পালের কাছে ভাতার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই ওয়ার্ডের দুই ভুক্তভোগী। তারা হলেন স্থানীয় মির্জারগাঁও গ্রামের মৃত মোবারক আলীর ছেলে আবদুল কাদির ও আশাব উদ্দিনের মেয়ে সিমা বেগম। লিখিত অভিযোগে আব্দুল কাদির উল্লেখ করেন, অনেক কষ্ট ও চেষ্টার পর গত বছর আমি বয়স্ক ভাতার কার্ড পাই। গত ১৩ অক্টোবর আমার জুলাই ২০১৯ হতে জুন ২০২০ অর্থবছরের বয়স্ক ভাতার ৬ হাজার টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে ব্যাংকের নীচে আসতেই আমার ওয়ার্ডের সদস্য আবুল কালাম আমাকে নির্যাতন করে ৬ হাজার টাকা ও ভাতা বই নিয়ে নেন। পরে আমাকে ২ হাজার টাকা ফেরত দেন। ৪ হাজার টাকা নেয়ার কারণ জানতে চাইলে কালাম আমাকে জানান, বয়স্ক ভাতার বই করে দিতে তার ৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অপর লিখিত অভিযোগে প্রতিবন্ধী সিমা বেগম উল্লেখ করেন, গত ১৩ অক্টোবর আমার জুলাই ২০১৯ হতে জুন ২০২০ অর্থবছরের প্রতিবন্ধীর ভাতার ৯ হাজার টাকা পাবার পর ইউপি সদস্য আবুল কালাম প্রতিবন্ধী ভাতা বই করে দেবার খরচ দেখিয়ে আমার ৫ হাজার টাকা নিয়ে যান। শুধু আমার টাকাই তিনি আত্মসাত করেননি। আমাদের গ্রামের আরো অনেকের সাথে তিনি এমন প্রতারণা করেছেন। কিন্তু তার ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না। দুটি অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, এর আগে মির্জারগাঁও গ্রামের বৃদ্ধা রেকিবুন নেছাকে মৃত দেখিয়ে বয়স্ক ভাতা বই থেকে তার নাম কেটে দিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্য একজনের নামে বই ইস্যু করেছিলেন ইউপি সদস্য আবুল কালাম। এ ব্যাপারে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং পুনরায় রেকিবুন নেছার নামে কার্ড ইস্যু করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আবুল কালাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সত্য নয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বর্ণালী পাল অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বিষয়টি দেখতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

Sylhet24Live.Com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY POS Digital