শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০১:৫৬ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ
টিভি রাউন্ডে চূড়ান্তপর্বে নির্বাচিত ছাতকের মারজান ছাতকে অনলাইন প্রেসক্লাবের সাব-কমিটির পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত গৃহবধু ফুলেছা হত্যাকান্ডে দুই আসামীসহ ৭ জন কারাগারে ছাতকে মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে অনলাইন প্রেসক্লাবের অালোচনা সভা অনুষ্ঠিত সন্ত্রাসী সোহেল জেল হাজতে সিলেটের বাদাঘাটে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের উদ্বোধন ছাতকে চরেরবন্দ গ্রামবাসীর তাফসিরুল কুরআন মাহফিল সম্পন্ন মাতৃভাষা দিবসে ছাতক অনলাইন প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ছাতকে চমক স্মৃতি ক্রিকেট ক্লাবের ফাইন্যাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত দক্ষিণ সুনামগঞ্জে সনাতন ধর্মালম্বীদের পূজামন্ডবে দুস্কৃতিকারীদের হামলা ৩ রোহিঙ্গাসহ এক বাংলাদেশী নাগরিক আটক নবীগঞ্জে হিজরাদের হামলায় কাউন্সিলের ভাই আহত, সিলেট প্রেরণ।। আটক ১ ছাতকে একতা শিল্পী গোষ্ঠী’র কমিটি গঠন, পরিচালক জয়নাল, সহকারী পরিচালক ছোটন ছাতকে পালিত হলো উৎসর্গ ফাউন্ডেশন এর ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ছাতকে রাত পোহালেই একতা শিল্পী গোষ্ঠী’র দায়িত্বশীল নির্বাচন অনুষ্ঠান
ভারত মহাসাগরে মিলল দানবীয় আরশোলা!

ভারত মহাসাগরে মিলল দানবীয় আরশোলা!

শেয়ার করুনঃ

ভারত মহাসারের বুক থেকে উঠে এসেছে এই দানবীয় বিশালাকার আরশোলা। জোয়ারের টানে ভারত মহাসাগরের একটি অংশে দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে এমন নতুন প্রজাতির প্রাণিটিকে খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। আরশোলাও যে এমন অদ্ভুত চেহারা নিতে পারে তা না দেখলে বিশ্বাস করা মুশকিল
প্রায় দুই বছরের গবেষণার পর সিঙ্গাপুরোর গবেষকেরা এই প্রাণিটিকে একটি নতুন প্রাণির আবিষ্কার হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। নাম দেয়া হয়েছে, ‘বাথিনোমাস রাক্ষসা’। একটি বিশালাকার সামুদ্রিক আরশোলা। গত ৮ জুলাই বিজ্ঞানী-গবেষকেরা এই নয়া প্রজাতি সম্পর্কে তাদের রিপোর্ট পেশ করেছেন। বায়োডাইভারসিটি রিসার্চ জার্নাল ‘জুকিজ’-এ এটি প্রকাশিত হয়েছে।
পেপারের লেখক কোন্নি এম সিদাবালক, হেলেন পি এস উওং এবং পিটার কে এল এনজি লিখেছেন, ‘ইন্দোনেশিয়ার শব্দ রাক্ষস ব্যবহার করা হয়েছে এর দানবীয় রূপের জন্য।’ যারাই এই নতুন প্রজাতির আরশোলাটিকে দেখেছেন, তারাই একে রাতের ভয়ানক স্বপ্নের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
ডেইলি মেইলর একটি প্রতিবেদন অনুসারে, বাথিনোমাস রাক্ষসা এক ধরনের বিশালাকার জীব। বাথিনোমাস প্রজাতির এই জীবের শরীরে প্রায় ২০ ধরনের স্পিসিজ রয়েছে। কাঁকড়া, লবস্টার এবং স্রিম্প জাতীয় প্রাণির সঙ্গে এর মিল রয়েছে। এগুলি এক ধরনের মাংসাশী জলের পোকা। খুব শীতল স্থানে মহাসাগরের বুকে এগুলির বাস। পাওয়া যায় প্রশান্ত, অ্যাটলান্টিক ও ভারত মহাসাগরে। এই সমুদ্র আরশোলার ১৪টি পা রয়েছে। সমুদ্রের গর্ভে এই পা চালিয়েই খাবারের খোঁজ চালায় এরা। আরশোলার মতোই এদের মাথায় হেলমেটের মতো বস্তু থাকে, সেখানেই থাকে একাধিক চোখ।
৫০ সেন্টিমিটার (১.৬ ফুট) আকারের এই সমুদ্র আরশোলা সাধারণত সবচেয়ে বেশি বড় হয় ৩৩ সেন্টিমিটার। একটা পায়ের পাতার মাপের। ৫০ সেন্টিমিটারেরগুলি বিশাল দানবীয়। সেগুলির পরিমাণ কম। পশ্চিম অ্যাটলান্টিক মহাসাগরে ৩৩ সেন্টিমিটারের সমুদ্র আরশোলা অসংখ্য রয়েছে।
এই গোটা প্রজেক্টটিতে কাজ করেছেন ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর, রিসার্চ সেন্টার ফৎ ওশানোগ্রাফি এবং ইন্দোনেশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সেসের গবেষকরা। দু-সপ্তাহ ধরে প্রায় ৬৩টি জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছেন তারা। ১২ হাজার নমুনা সংগ্রহ করেছেন। সমুদ্রের গভীরে গিয়ে জেলিফিশ, স্পঞ্জ, কেঁচো, শামুক, স্টারফিশ, কাঁকড়ার মতো অসংখ্য ৮০০ ধরনের স্পিসিজ এনেছেন তাঁরা। এর মধ্যে ১২ ধরনের প্রজাতি একেবারেই অজানা গবেষকদের কাছে।

শেয়ার করুন

Sylhet24Live.Com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
Design & Developed BY POS Digital